চন্দ্রকর
নূর-উন-নাহার আনছারী


সুনীল শুনছো,

খোলা মনের নীলাভ গগনে

কাজলাকালা

মেঘ জমেছে

বহুকালের পরে ।

নোনা জল ধুয়ে মুছে

মিষ্টি জল দিবে নাকি

এবার 

উজাড় করে।


অথচ শত বিকেলে 

সূয্যি মামা

চোখ রাঙায়েছে আমায়

চড় থাপ্পর ছুড়ে ।

ধমকে চমকে

কেমন গর্জন গম্ভীরে !

কেমনে কয়েছে,

জোড়ের তোড়ে বাঁচতে ওরে

সকল গরজ গরবী হয়

নিজের বাহুর জোড়ে !


বেশ !

শুধু একবার বলো,

মেঘ বৃষ্টি সূর্যের বোধে

ছুঁয়ে দেয় কি

কোন উত্তাপ ? 

বাণের জলে ছলাৎ কন্ঠে

থাকে বুঝি

স্বাদু নোনার কোন ছাপ ?


সুনীল !


- চন্দ্রকান্তা !

পাপ ! 

বুঝেছো, সবই পাপ !

তাইতো,

একটু জলের লোভে 

আমি

চাই না কভূ

বাদলার নটবর ঝড়।

ক্ষরার পরে ঝরার মেলায়

সূয্যি, মেঘ

সবাই আপন হবাই পর ।


-সুনীল

মনটা কেবলই খাবি খায়

সহস্র প্রশ্নমালায়।

সুযোগ পেলেই

তাঁরা গর্জে ওঠে

আমায় কতবার কয় যাযাবর ।


-প্রিয়তমা,

সব উত্তর খুঁজতে নেই।

ভুলে যেও না,

কতক চত্বর টুটে

চন্দ্রসুধা নিতে লুটে

অপেক্ষায় থাকে যে

মনোহর।

সেই মানে,

কিছু উপমা হয়ে রয়

একলা চন্দ্রকর !